নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের সূত্রভিত্তিক এই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত কেন্দ্রীভূত, নিয়ন্ত্রণহীন ও জবাবদিহিবিহীন ক্ষমতা সুশাসন, নৈতিক বিচারবোধ এবং প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করতে পারে। পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপকদের সিদ্ধান্ত ও সম্পদ বণ্টনে কর্তৃত্ব প্রয়োজন হলেও দুর্বল তদারকি অনিয়ম করা, গোপন রাখা এবং তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কঠিন করে তোলে।
প্রতিষ্ঠাতা, প্রভাবশালী শেয়ারহোল্ডার, চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী বা পারিবারিক মালিকানার সদস্যের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলে শুরুতে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কৌশলগত দিকনির্দেশ পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু পরে পরিচালকরা নির্বাহীর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন, ব্যবস্থাপকরা নেতার পছন্দের কথাই বলতে পারেন এবং কর্মীরা প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করতে পারেন। এতে বোর্ড সভা কার্যকর সিদ্ধান্তের বদলে আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
লেখাটি বলছে, অস্বাভাবিক ব্যয় অনুমোদন, ক্রয়নীতির ব্যত্যয় বা নিয়ন্ত্রণ উপেক্ষার মতো ছোট ব্যতিক্রম থেকেই অনিয়ম শুরু হতে পারে। হিসাবের অনুমান বদল, আগাম আয় দেখানো, ব্যয় পিছিয়ে দেওয়া ও দায় গোপনের ঝুঁকিও উল্লেখ করা হয়েছে। কার্যকর অডিট কমিটি, স্বাধীন পরিচালক, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, হুইসেলব্লোয়িং ব্যবস্থা, নৈতিক নেতৃত্ব এবং গঠনমূলক মতভেদের পরিবেশকে সুরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিয়ন্ত্রণহীন করপোরেট ক্ষমতা তদারকি, নৈতিকতা ও জবাবদিহি দুর্বল করতে পারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।