একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে বাংলাদেশের ২০২৬ সালের দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা সবার’ এবং ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ স্লোগানের ভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের সময়ে বাড়তি সরকারি ছুটি, বিশেষ বরাদ্দ, বাস-ট্রেনের ব্যবস্থা এবং ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে পূজা উদযাপিত হয়েছে। সীমান্ত এলাকার কিছু মণ্ডপে বর্ডার গার্ডের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৭ অক্টোবর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করে রাষ্ট্র ও সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারের কথা বলেন বলে নিবন্ধে উল্লেখ রয়েছে।
লেখক সুরা আল-কাফিরুনের ব্যাখ্যা দিয়ে যুক্তি করেন যে, আয়াতটি ধর্মীয় বিশ্বাসের পার্থক্য নির্দিষ্ট করে; এটি ধর্মীয় উৎসবের সার্বজনীনতার স্বীকৃতি নয়। নিবন্ধে প্রধানমন্ত্রী의 ‘নিরাপত্তা সবার’ বক্তব্যকে শরিয়তসম্মত ও বাস্তবভিত্তিক বলা হয়েছে। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, নেজামে ইসলাম পার্টি ও খেলাফত মজলিসের নেতাদের বক্তব্য হিসেবেও অমুসলিমদের স্বাধীন ধর্মচর্চা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার পক্ষে অবস্থানের কথা বলা হয়েছে।
নিবন্ধটি ইসলামি শিক্ষা ও মদিনা সনদের উল্লেখ করে অমুসলিম নাগরিকদের জীবন, সম্পদ, মর্যাদা, বিশ্বাস ও অধিকার রক্ষার রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের ওপর জোর দিয়েছে। এতে বিতর্কটিকে ধর্মীয় উৎসবকে সবার উৎসব বলা যাবে কি না—এই ব্যাখ্যাগত বিরোধ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তবে সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও আইনগত সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা হয়েছে।
দুর্গাপূজার স্লোগান, ধর্মীয় ব্যাখ্যা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে মতামত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।