দেশের বিভিন্ন স্থানে তীব্র নদীভাঙনে ভিটেমাটি, কৃষিজমি ও নানা স্থাপনা বিলীন হচ্ছে। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে যমুনা, শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা, শেরপুরের নকলায় মৃগী এবং ফরিদপুরের মধুখালীতে মধুমতী নদীর ভাঙনে বহু পরিবার ঘরবাড়ি ও জীবিকা হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছে।
সিরাজগঞ্জের সোনাতনী ইউনিয়নের ধীতপুর, বারপাখিয়া ও কুরসি এলাকায় গত এক বছরে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ধীতপুর ও কুরসিতে দুই শতাধিক বাড়ি, তিনটি মসজিদ, একটি মাদরাসা ও দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হারিয়ে গেছে। প্রায় তিন হাজার বিঘা আবাদি জমিও বিলীন হয়েছে এবং বারপাখিয়া গ্রামটি পুরোপুরি নদীগর্ভে চলে গেছে। বিদ্যালয় হারানো শিক্ষার্থীরা এখন মাদরাসার টিনের ঘরে পাঠ নিচ্ছে।
শাহজাদপুরে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে এবং পুনর্বাসনের বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে। জাজিরায় সোমবার দুপুরে এক প্রবাসীর পুরো বসতবাড়ি পদ্মায় ধসে যায়। নকলায় এ বছর ৩০ থেকে ৪০টি ঘর বিলীন হয়েছে; ভাঙন ঠেকাতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মধুখালীতে প্রায় ২৫০ পানিবন্দি ও ভাঙনকবলিত পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
নদীভাঙনে বিভিন্ন জেলায় বিলীন ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও নানা স্থাপনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।