Web Analytics

পাহাড়ি সড়কে আটকে পড়া প্রায় ৩ হাজার পর্যটককে সাজেক এলাকা থেকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী গুলির মুখে পড়ে। রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব আমার দেশকে বলেন, ইউপিডিএফ সদস্যরা গুলি চালালে নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা গুলি করে। গুলি বিনিময়ের মধ্যেই পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইউপিডিএফের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরিস্থিতির কারণে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা আশরাফীর জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে কেন্দ্রটি আবার খোলা হবে। বাঘাইহাট জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারিকুল ইমরান জানান, দ্রুত পরিস্থিতি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

ঘটনাটি পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তাব্যবস্থা, দুর্গম এলাকায় সেনা উপস্থিতি ও রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নকে আবার আলোচনায় এনেছে। সাবেক রাজনৈতিক নেতা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক এম শাহিদুজ্জামান নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা, প্রয়োজনে সেনাক্যাম্প বৃদ্ধি এবং সীমান্ত নজরদারি জোরদারের কথা বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তির পর অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহার শুরু হয় এবং ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ২০০টি ক্যাম্প প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছিল।

23 Oct 26 1NOJOR.COM

সাজেকে পর্যটক উদ্ধারে গুলির পর পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।