ইসরাইল-ইরান যুদ্ধ এখন সংক্ষিপ্ত আক্রমণ থেকে সরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে রূপ নিচ্ছে। যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের সামরিক স্থাপনায় ভারী হামলা চালায়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে যুদ্ধের ধরণ বদলে গিয়ে টিকে থাকার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। এতে ইসরাইলের দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো সীমিত মিসাইল প্রতিরক্ষা মজুত, উচ্চ ব্যয়, জনবল সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিনির্ভরতা। আইরন ডোম ও ডেভিড’স স্লিংয়ের মতো উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিক ইরানি হামলায় ইন্টারসেপ্টর দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে, শ্রমিক সংকট ও ব্যবসায়িক স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সরাসরি জয়ের চেয়ে ইসরাইলকে অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত করার কৌশল নিয়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে ইসরাইলের সীমিত ভৌগোলিক গভীরতা ও জনসংখ্যা, পাশাপাশি বাইরের সহায়তার ওপর নির্ভরতা, তাদের টিকে থাকার সক্ষমতাকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলবে।
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধে অর্থনৈতিক ও সামরিক সীমাবদ্ধতায় ভুগছে ইসরাইল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।