ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মানবাধিকারের অজুহাতে ইরানবিরোধী বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, নিজেদের কর্মকাণ্ডের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যদের মানবাধিকার নিয়ে উপদেশ দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। গ্রিসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োরগোস গ্রাপট্রিটিসের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করেন।
আরাগচি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন, যার মধ্যে নৌ অবরোধ বজায় রাখা এবং ১৮ জুনের সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি ইরানের স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরানের দৃঢ় সংকল্পের ওপর জোর দেন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপদ পথ নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সর্বশেষ অবস্থাও তিনি ব্যাখ্যা করেন।
ইরানি মন্ত্রী বলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তাহীনতা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের সরাসরি ফল এবং আগ্রাসনকারী ও আইন লঙ্ঘনকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। তিনি ইসরাইলের প্রতি কিছু ইউরোপীয় পক্ষের সমর্থন এবং ফিলিস্তিনি, লেবানন ও ইরান প্রসঙ্গে তাদের উদাসীনতার সমালোচনা করেন। গ্রিক মন্ত্রী উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন ও কারিগরি সহায়তার প্রস্তুতির কথা জানান।
ইইউর মানবাধিকারবিষয়ক অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে আরাগচির নৈতিক অধিকার প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।