ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা আলী খামেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই উদ্যোগের মূল চালিকাশক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মরিয়া প্রচেষ্টা। তিনি বলেন, ইরানি কর্মকর্তারা আন্তরিকভাবে কাজ করলেও চুক্তি সম্পন্ন করতে সবচেয়ে বেশি চাপ ও তৎপরতা দেখিয়েছে মার্কিন পক্ষ। খামেনি ব্যক্তিগতভাবে কিছু আপত্তি থাকলেও ইরানের প্রেসিডেন্ট জনগণ ও ‘রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’-এর স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকার করায় তিনি অনুমোদন দেন।
‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ শিরোনামে এই চুক্তি জি-৭ সম্মেলন শেষে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর আয়োজিত ভার্সাই প্রাসাদের নৈশভোজে স্বাক্ষরিত হয়। মাখোঁ জানান, এই চুক্তি স্থায়ী শান্তির পথ খুলে দেবে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে আশপাশ থেকে বাহিনী সরিয়ে নেবে। ইরান ৬০ দিনের জন্য বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। উভয় পক্ষের কাছে এখন ৬০ দিন সময় রয়েছে চূড়ান্ত চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা নিশ্চিত, শান্তিচুক্তিতে ট্রাম্পের তৎপরতা উল্লেখ করলেন খামেনি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।