মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ ইরানের বিরুদ্ধে চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করায় বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস বাজারে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হলেও, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস প্রণালীটি বন্ধ ঘোষণা করার পর থেকে জাহাজ চলাচল ৯৫ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। প্রায় ২,০০০ জাহাজ আটকে আছে, যদিও ভারত, পাকিস্তান, চীন ও মালয়েশিয়ার কিছু জাহাজ তেহরানের অনুমতি নিয়ে সীমিতভাবে পারাপার করছে।
এই পরিস্থিতিতে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাক বিকল্প পাইপলাইন ব্যবহার করে তেল রপ্তানির চেষ্টা করছে। সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পেট্রোলাইন, আমিরাতের আবুধাবি ক্রুড অয়েল পাইপলাইন এবং ইরাক-তুরস্ক কিরকুক-জেইহান পাইপলাইন মিলিয়ে দৈনিক প্রায় ৯ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবহন সম্ভব, যা হরমুজ প্রণালীর ২০ মিলিয়ন ব্যারেলের তুলনায় অর্ধেকেরও কম। সৌদি আরব পাইপলাইনের প্রবাহ বাড়ালেও বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে হুথি হামলার ঝুঁকি রয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পাইপলাইনগুলোর সীমিত সক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি থাকায় এগুলো সমুদ্রপথের বিকল্প হিসেবে পুরোপুরি কার্যকর নয়।
হরমুজ প্রণালী বন্ধে তেল রপ্তানি ব্যাহত, বিকল্প পাইপলাইনে নির্ভরতা বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।