খবরে বলা হয়েছে, গত দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ আমদানি হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন আসতে পারে। আমদানি করা ইলিশের প্রায় সবই গুজরাট থেকে আসছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবিসি বাংলার তথ্য অনুযায়ী, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৯টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাড়ে ৩ লাখ কেজির বেশি ইলিশ এনেছে, যার মূল্য প্রায় ৭ কোটি টাকা। মৎস্য কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের আবেদনের পর সীমিত পরিসরে অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
তবে এই আমদানির বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয় বলে লেখায় বলা হয়েছে। দেশে ইলিশ আহরণ ২০২০-২১ অর্থবছরের ৫ লাখ ৬৫ হাজার ১৮৩ টন থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৫ লাখ ১২ হাজার ৮৫৮ টনে নেমেছে। অভিবাসন পথের সংকট, পলি জমা, অবৈধ জাল, জাটকা ধরা, দূষণ, অপরিকল্পিত অবকাঠামো এবং মাছ ধরার প্রযুক্তির ব্যবহারকে কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
লেখাটি ইলিশ রক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে। ইলিশের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, জিডিপিতে এক শতাংশ অবদান এবং বিপুল কর্মসংস্থানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ৫০০ থেকে ৭০০ টন আমদানি ঘাটতি মেটাতে পারবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আমদানি ও রপ্তানির জন্য জাতীয় নীতির দাবি জানানো হয়েছে।
ইলিশ আহরণ কমার মধ্যে ভারত থেকে আমদানি নিয়ে নীতি ও সংরক্ষণ প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।