Web Analytics

সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার ১৫তম বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খসড়াটি উপস্থাপন করে। সোমবার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অনুমোদনের কথা জানানো হয়। আইনে গুমকে স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আইনটির লক্ষ্য মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এতে গুম প্রতিরোধ, দায়ীদের বিচার, নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য সমন্বিত কাঠামো রাখা হয়েছে। আদালতের তল্লাশি পরোয়ানা, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণ এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিধানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

খসড়ায় তদন্ত সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে এবং বিচারকার্য সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে। গুমের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে। গুমের ফলে মৃত্যু হলে, লাশ পাওয়া গেলে বা পাঁচ বছর পরও কাউকে জীবিত কিংবা মৃত উদ্ধার করা না গেলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা হতে পারে। ক্ষতিপূরণ তহবিল, রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

04 Aug 26 1NOJOR.COM

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।