চীন ২০২৬ সালের প্রতিরক্ষা বাজেট ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়নের প্রচেষ্টার অংশ। ৫ মার্চ পার্লামেন্টের বার্ষিক অধিবেশনের উদ্বোধনীতে প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যুদ্ধ প্রস্তুতি জোরদার করা হবে এবং উন্নত সামরিক সক্ষমতা গড়ে তোলা হবে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে কম বৃদ্ধি হলেও এশিয়ার বেশিরভাগ দেশের তুলনায় এটি এখনও বেশি।
লি কিয়াং জানান, এসব পদক্ষেপ চীনের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার কৌশলগত সক্ষমতা বাড়াবে। আধুনিকায়ন পরিকল্পনায় নতুন ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন ও নজরদারি প্রযুক্তি তৈরির কথা বলা হয়েছে, যার লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক সেনাবাহিনী গঠন। বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিরক্ষা ব্যয় সাধারণত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে সামরিক বাহিনীতে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানও জোরদার করেছে বেইজিং।
তাইওয়ান এই বাজেট বৃদ্ধিকে হুমকি হিসেবে দেখছে, আর জাপান বলেছে চীনের প্রতিরক্ষা ব্যয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে এশিয়ার মোট সামরিক ব্যয়ের ৪৪ শতাংশই ছিল চীনের, যা ২০১০–২০২০ সময়ের গড় ৩৭ শতাংশের তুলনায় বেশি।
সামরিক আধুনিকায়নে গতি আনতে ২০২৬ সালের প্রতিরক্ষা বাজেট ৭ শতাংশ বাড়াচ্ছে চীন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।