Web Analytics

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে ইরান “আর্থিকভাবে ধ্বংসের পথে” এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে দেশটি প্রতিদিন কোটি কোটি ডলার হারাচ্ছে। ১৩ এপ্রিল শুরু হওয়া এই অবরোধে মার্কিন বাহিনী ইরানি পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার আটক করেছে এবং ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা জাহাজগুলোকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। এর জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালী বিদেশি জাহাজের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এবং কয়েকটি বিদেশি জাহাজ আটক করেছে। ইরানের উপ-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ ও সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, অবরোধ প্রত্যাহার না হলে যুদ্ধবিরতি সম্ভব নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, অবরোধ ইরানের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করলেও দেশটির তেল রপ্তানি ও মজুদ সক্ষমতা এখনো শক্তিশালী। ইরান ইতিমধ্যে চলমান তেল রপ্তানি থেকে বিলিয়ন ডলার আয় করছে এবং প্রণালী পারাপারে টোল আরোপ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাসমান তেল মজুদের কারণে ইরান আগস্ট পর্যন্ত আয় বজায় রাখতে পারবে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র মে মাসের পর অবরোধ চালিয়ে যেতে রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতার মুখে পড়বে। চীনের বাণিজ্য বিঘ্নে অসন্তোষও ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।

এই অচলাবস্থা বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়িয়েছে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তীব্র করেছে। ইরান ধৈর্য ও ঐক্যের সংকেত দিচ্ছে, আর যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক ও সামরিক চাপে পড়ছে।

25 Apr 26 1NOJOR.COM

হরমুজ অবরোধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা, তেল বাণিজ্য ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা হুমকিতে

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।