আঁচল ফাউন্ডেশনের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২২৪ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। এটি ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ৪৯ জন বেশি। সংগঠনটি ১৬৫টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে তথ্যটি জানিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ‘আত্মহত্যা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে।
চলতি বছরের আট মাসে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৩২ জন নারী ও ৯২ জন পুরুষ। ২০২৫ সালের একই সময়ে ১৭৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছিল; তাদের মধ্যে নারী ১১৩ এবং পুরুষ ৬২ জন। এ বছর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৫০ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মহত্যাকারীদের সংখ্যা ৪৪, যার মধ্যে ২৪ জন নারী ও ২০ জন পুরুষ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, একাডেমিক চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, পারিবারিক ও সম্পর্কজনিত জটিলতা, আর্থিক সংকট, একাকিত্ব, নির্যাতন এবং মাদকাসক্তিসহ নানা কারণ ভূমিকা রাখতে পারে। আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও নিয়মিত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শিক্ষক ও সহপাঠীদের প্রশিক্ষণ এবং অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।
জানুয়ারি থেকে আগস্টে বাংলাদেশে ২২৪ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার তথ্য দিয়েছে আঁচল ফাউন্ডেশন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।