২০২৬ সালের ৩১ মার্চ প্রকাশিত ‘আমার দেশ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈধ ও অবৈধ উভয় পথেই বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ভারতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, প্রতিবছর ৫০ থেকে ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আকারে ভারতে পাঠানো হয়, তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা প্রকৃত অঙ্ক কাগজে-কলমের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে প্রায় ৫০ হাজার ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে বসবাস করছেন, যাদের মধ্যে অনেকেই অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। সাম্প্রতিক অভিযানে পুলিশ ছয় হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিককে অবৈধ হিসেবে শনাক্ত করেছে, যার মধ্যে তিন হাজারেরও বেশি ভারতীয়।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ২০১৮–১৯ অর্থবছর থেকে ৮ হাজারের বেশি নতুন কর্মানুমতি দিয়েছে এবং ১৩ হাজারের বেশি নবায়ন করেছে। দক্ষ জনবল ঘাটতির কারণে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হলেও ঘোষিত বেতনের চেয়ে বেশি অর্থ প্রদানের অভিযোগ রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিদেশি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন অডিট করে, তবে বাস্তব বেতন যাচাইয়ের সক্ষমতা সীমিত।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি, আর চিকিৎসা ও ভ্রমণ খাতে ব্যয়ও বৈদেশিক মুদ্রা বহির্গমনে বড় ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ থেকে বৈধ ও অবৈধ পথে ভারতে বিপুল অর্থ স্থানান্তরের তথ্য প্রকাশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।