যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে নতুন নথি প্রকাশের পর আবার আলোচনায় এসেছে ২০১৭ সালের এক সাক্ষাৎকার। নেদারল্যান্ডসের সাবেক ব্যাংকার রোনাল্ড বার্নার্ড ওই সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, বৈশ্বিক আর্থিক অভিজাতদের একটি অংশ আচারভিত্তিক শিশু বলির মতো জঘন্য প্রথা অনুসরণ করত। তিনি জানান, তাকে দেশের বাইরে এক বলি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
বার্নার্ড নেদারল্যান্ডসভিত্তিক ডিভিএম টিভিকে বলেন, আর্থিক জগতের উচ্চপর্যায়ের অনেকেই তথাকথিত ‘লুসিফেরিয়ান’ বিশ্বাসে অনুসারী ছিলেন। তিনি আরও জানান, ‘চার্চ অব স্যাটান’ নামে কিছু স্থানে তিনি গিয়েছিলেন, যেখানে নগ্ন নারী ও মদ্যপানের মাধ্যমে ধর্মীয় আচার পালিত হতো, যদিও এসবের বাস্তবতা নিয়ে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। নতুন এপস্টেইন নথিতে প্রভাবশালী কয়েকজনের নামের ইঙ্গিত পাওয়ায় পুরোনো এই সাক্ষাৎকার আবার সামনে এসেছে।
এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যান। তার বিরুদ্ধে শিশু যৌন পাচারের অভিযোগে মামলা চলছিল। নতুন নথি ও পুরোনো সাক্ষাৎকার মিলিয়ে আবার প্রশ্ন উঠেছে— ক্ষমতা ও অর্থের আড়ালে কী ধরনের অপরাধ লুকিয়ে ছিল।
এপস্টেইন নথি প্রকাশে বৈশ্বিক অভিজাতদের শিশু বলির অভিযোগ ফের আলোচনায়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।