উচ্চশিক্ষার জন্য আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাওয়া গাজার বহু ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীর স্টাডি ভিসা প্রত্যাখ্যানকে কেন্দ্র করে দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। পূর্ণ বা আংশিক বৃত্তি পেয়েও ভিসা না পাওয়ায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে তাদের ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের মধ্য দিয়ে গাজা থেকে আয়ারল্যান্ডে পৌঁছানো তিন ফিলিস্তিনি শিল্পীর কাজ প্রশংসিত হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
আটলান্টিক টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির গলওয়ে ক্যাম্পাসে ‘ফ্রম ওয়ান ব্রেথ টু দ্য নেক্সট’ প্রদর্শনীতে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কাজ দেখানো হয়। সেখানে ওই তিন শিল্পীর কাজ দর্শকদের বিশেষভাবে নাড়া দেয়। একই সময়ে গাজায় থাকা প্রায় ৪০ জন তরুণ-তরুণীর উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা অনিশ্চিত। আরটিইর সরকারি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ণ বা আংশিক অর্থায়িত বৃত্তি পাওয়া ৫৯ জন ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন করেছিলেন; আগস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অন্তত ৩১টি আবেদন প্রত্যাখ্যানের তথ্য আসে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাবিদদের একাংশ বলছে, যুদ্ধের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস, ব্যাংকিং ও ডাকব্যবস্থার বিপর্যয় এবং নথি সংগ্রহের জটিলতা বিবেচনা না করে সাধারণ মানদণ্ডে আবেদন বিচার করা বাস্তবসম্মত নয়। জুলাইয়ের শেষ দিকে ডাবলিনে বিচার মন্ত্রণালয়ের সামনে প্রায় ২৫০ জন বিক্ষোভ করে আবেদনগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি জানান। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মীরাও প্রত্যাখ্যাত আবেদন দ্রুত পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
ভিসা প্রত্যাখ্যানে গাজার বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আয়ারল্যান্ডে ভর্তি অনিশ্চিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।