গত এক দশকে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন সরকার ধর্মীয় মেরুকরণকে রাজনৈতিক কৌশলের কেন্দ্রে এনেছে। কেরালার এক লেখক ঐতিহাসিক বাস্তবতার আলোকে স্মরণ করিয়ে দেন, একসময় বর্ণভিত্তিক বৈষম্য থাকলেও ধর্মীয় সহাবস্থান বজায় ছিল।
কেরালার সংস্কৃতিতে বহুত্ববাদের নানা উদাহরণ রয়েছে, যেখানে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থান দেখা যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ উঠেছে, পরিকল্পিতভাবে মুসলিম সম্প্রদায়কে আলাদা করে সামাজিকভাবে গেটোয়াইজেশন ঘটিয়ে একটি নির্দিষ্ট ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবণতা শুধু নির্বাচনি রাজনীতিকেই নয়, ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংবিধানিক মূল্যবোধকেও প্রভাবিত করছে। বহুত্ববাদ ও ধর্মভিত্তিক মেরুকরণের এই টানাপোড়েন ভারতের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
মোদির আমলে ধর্মীয় মেরুকরণে ভারতের বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।