ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবন আল-রেজা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংঘাত বা যুদ্ধ মোকাবিলার প্রস্তুতিতে দেশের সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতের চারটি প্রধান অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছেন। ২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আইআরএনএ-উদ্ধৃত প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি সম্প্রতি প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে তিনি কর্মকর্তাদের আত্মতুষ্টিতে না ভোগার সতর্কবার্তা দেন।
চিহ্নিত চার অগ্রাধিকার হলো মহাকাশভিত্তিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্যের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন, দেশের শিল্প অবকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং ‘প্রতিরক্ষা অর্থনীতি’। প্রতিরক্ষা অর্থনীতি বলতে তিনি দেশীয় প্রযুক্তির সাহায্যে কার্যকর, সাশ্রয়ী, সুসংগঠিত ও বিপুল পরিমাণে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের লক্ষ্যকে বোঝান।
মন্ত্রী বলেন, শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, সামরিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলেও ইরানের নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি প্রতিরক্ষা শিল্পকে আগের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উদ্ভাবন, প্রস্তুতি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের পশ্চিমা অর্থনৈতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরান দেশীয় প্রযুক্তিতে কম খরচে দ্রুতগতির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সাফল্য দেখিয়েছে।
সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ যুদ্ধের প্রস্তুতিতে চার প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।