Web Analytics

নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে, কান্না থামানো বা খাওয়ানোর জন্য শিশুদের স্মার্টফোন, ট্যাব কিংবা টেলিভিশনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভাষা, সামাজিক যোগাযোগ, মনোযোগ ও সামগ্রিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এতে ‘ভার্চুয়াল অটিজম’ শব্দটি ব্যবহার করে সতর্ক করা হয়েছে যে, স্ক্রিনের একমুখী যোগাযোগ বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা, খেলা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণের বিকল্প নয়।

সতর্কতার লক্ষণ হিসেবে দেরিতে কথা বলা, চোখে চোখ না রাখা, নামে সাড়া না দেওয়া, সামাজিক মেলামেশায় অনীহা, যৌথ মনোযোগের ঘাটতি, খেলাধুলার দক্ষতা কমে যাওয়া, নির্দেশনা বুঝতে সমস্যা এবং স্ক্রিন বন্ধ হলে তীব্র কান্না বা জিনিস ছোড়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই স্ক্রিন দায়ী বা শিশুর অটিজম হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সঠিক মূল্যায়নের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ বা স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, দুই বছরের কম বয়সিদের বিনোদনমূলক স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলা এবং দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টায় সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে। অভিভাবকদের সন্তানদের সঙ্গে কথা বলা, গল্প করা, খেলা এবং নিরাপদ ঘরোয়া কাজে যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

27 Aug 26 1NOJOR.COM

শিশুর স্ক্রিন সময় কমিয়ে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।