Web Analytics

বাংলাদেশে ভেজাল খাদ্য, ক্ষতিকর রাসায়নিক ও মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তারে জনস্বাস্থ্য দীর্ঘমেয়াদি সংকটের মুখে পড়ছে বলে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে। ৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত লেখায় বলা হয়, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দেশব্যাপী অভিযানে নামি রেস্তোরাঁয় বাসি খাবার সংরক্ষণ, কাঁচা ও রান্না করা খাবার একসঙ্গে রাখা, একই তেল বারবার ব্যবহার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ উপকরণ ব্যবহারের মতো অনিয়ম উঠে এসেছে। সুপারশপে বিদেশি পণ্যের মেয়াদের তারিখ বদলের অভিযোগও রয়েছে।

প্রতিবেদনে কাঁচাবাজারে রাসায়নিক দিয়ে ফল পাকানো, মাছ ও মাংসে ক্ষতিকর সংরক্ষণকারী এবং মসলায় শিল্পকারখানার রঙ ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে। Journal of Food Composition and Analysis-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় পরীক্ষিত চিনির ৯৫ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়; প্রতি কেজিতে ২১০ থেকে ৫০৮টি কণা শনাক্ত হয়। ঢাকা ওয়াসার পানিতে পিফাস, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ ও ওষুধজাত রাসায়নিক শনাক্ত হওয়ার তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, দূষিত খাদ্যে বিশ্বে বছরে প্রায় ৬০ কোটি মানুষ অসুস্থ এবং প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। লেখাটি বলছে, বিচ্ছিন্ন অভিযান ও জরিমানা যথেষ্ট নয়; উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর ট্রেসেবিলিটি, আধুনিক পরীক্ষাগার এবং পরীক্ষার ফল ও অনিরাপদ পণ্যের তথ্য প্রকাশ জরুরি।

08 Aug 26 1NOJOR.COM

ভেজাল খাদ্য ও রাসায়নিক দূষণ ঠেকাতে স্থায়ী নজরদারি ও ট্রেসেবিলিটির আহ্বান

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।