গ্যাস সংকট, দেশে ইউরিয়া উৎপাদন কমে যাওয়া এবং আমদানি বিঘ্নে বাংলাদেশের সার মজুত নিরাপদ সীমার কাছাকাছি নেমেছে বলে বৃহস্পতিবারের মন্ত্রণালয় পর্যালোচনায় উঠে এসেছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় কারখানাগুলোতে ইউরিয়া উৎপাদন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমেছে। দেশে বর্তমানে ইউরিয়ার মজুত প্রায় ৫ লাখ ৩২৯ টন, যা পাঁচ লাখ টনের নিরাপদ মজুত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে মাত্র ৩২৯ টন বেশি।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সার আমদানিতে ঝুঁকি বেড়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় মিসরের ইয়ানবু বন্দর হয়ে প্রায় ১,২০০ মাইল ঘুরে সার আনতে হচ্ছে, এতে সময় ও ব্যয় বাড়ছে। কাতার বাংলাদেশের সঙ্গে রপ্তানি চুক্তি না করায় তিন দেশের বদলে দুই দেশের ওপর আমদানিনির্ভরতা তৈরি হয়েছে।
সরকার রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাই থেকে ইউরিয়া আমদানির জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তবে এতে দুই থেকে তিন মাস লাগতে পারে। ডিএপি, টিএসপি ও এমওপির মজুতও নিরাপদ সীমার নিচে রয়েছে। বিতরণে অনিয়মের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ, আর কৃষকেরা সার গোপনে মজুত রেখে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ করেছেন।
গ্যাস ও আমদানি সংকটে বাংলাদেশের সার মজুত নিরাপদ সীমার কাছাকাছি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।