বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের জোরালো ও কার্যকর সমর্থন চেয়েছেন। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে তিনি বলেন, একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়।
তারেক রহমান বলেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মতে, সংকটের উৎস মিয়ানমারে; ফলে সমাধানও সেখানেই নিহিত। প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত জীবন রক্ষাকারী সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি বড় মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন, ফিলিস্তিন প্রশ্ন ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে হওয়া উচিত। নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অঙ্গীকারের কথাও তিনি জানান। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এবং পিসবিল্ডিং কমিশনে বাংলাদেশের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
নিরাপদ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের কার্যকর সমর্থন চাইল বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।