বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫’-এ বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলো ৯৮ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করেছে। এর ফলে বছরের শেষে পুনঃতফসিলকৃত ঋণের স্থিতি দাঁড়ায় ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬১ কোটি টাকার তুলনায় অনেক বেশি। পুনঃতফসিলকৃত ঋণের ৫৭ শতাংশই শীর্ষ ১০ ব্যাংকে কেন্দ্রীভূত।
২০২২ সালে ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়ার পর থেকে এ প্রবণতা দ্রুত বেড়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী মাত্র ২ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ পাওয়া যায়, প্রথম দুই বছর থাকে গ্রেস পিরিয়ড। নীতি-সহায়তার আওতায় ১,৫১৬টি আবেদনের মধ্যে ২৫০টি ঋণ আবেদন বাস্তবায়িত হয়েছে, যার পরিমাণ ২৬ হাজার ১১৪ কোটি টাকা। তবে পুনঃতফসিলকৃত ঋণের ৩৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ আবার খেলাপি হয়েছে।
আইএমএফ এসব ঋণকে ‘দুর্দশাগ্রস্ত’ হিসেবে বিবেচনা করে। খেলাপি, পুনঃতফসিল ও অবলোপন মিলিয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে মোট ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকার ঋণ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। শিল্প খাতের অংশ সর্বাধিক, ২৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
বাংলাদেশে ৪.৪৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল, ৪০ শতাংশ আবার খেলাপি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।