ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নিজেদের সাফল্যের দাবি করলেও বাস্তবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে তেল শোধনাগার ও ট্যাংকারে হামলা অব্যাহত রেখেছে। দেশটি এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজার চারশরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে, যার দশ শতাংশেরও কম ইসরাইলকে লক্ষ্য করে। ইসরাইল দাবি করেছে, তারা ৯২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে, তবুও অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে।
ইরানের ৯০ শতাংশেরও বেশি হামলা পারস্য উপসাগরের আরব দেশগুলোতে হয়েছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েতসহ দেশগুলো হাজারো হামলার মুখে পড়লেও উচ্চ প্রতিরোধ হার দাবি করেছে। এসব দেশ নিজেদের নিরপেক্ষ বললেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও প্রতিরক্ষা চুক্তির কারণে তারা যুদ্ধে প্রভাবিত। ইরানি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের নির্ভুলতা ও ধারাবাহিকতা যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়া ও ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে বাধ্য করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কৌশলগত ব্যর্থতা ভিয়েতনাম যুদ্ধের স্মৃতি জাগিয়েছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত দুর্বলতা ও উপসাগরের তেল বিপর্যয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।