এই মন্তব্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা দ্রুত কমে যেতে পারে এবং বর্তমান নীতিনির্ধারকদের জনগণের মনোভাবকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। লেখাটি সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির সমালোচনার সঙ্গে এ সতর্কতাকে যুক্ত করেছে। লেখকের বর্ণনায়, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, ভারতে চোরাচালান এবং সামাজিক নিরাপত্তা কার্ডের অর্থায়নকে মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।
লেখক এসব যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, আগের মূল্যবৃদ্ধির পর অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২০ ডলার কমেছিল; পরে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন পাল্টাপাল্টি হামলার পর তা আবার বেড়েছে। দিল্লি ও কলকাতার জ্বালানি দামের সঙ্গে বাংলাদেশের দামের তুলনা করে তিনি চোরাচালানসংক্রান্ত যুক্তিকেও দুর্বল বলেছেন। সামাজিক নিরাপত্তা কার্ডের ব্যয় তেলের দাম বাড়িয়ে মেটানো হলে তা জনগণের এক পকেট থেকে অন্য পকেটে অর্থ নেওয়ার শামিল বলেও মত দিয়েছেন।
মুসলিম লীগ, শেখ মুজিবুর রহমান, সামরিক শাসন এবং সংসদীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিভিন্ন ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে লেখাটি বলেছে, নির্বাচনী শক্তি স্থায়ী জনসমর্থন বা রাজনৈতিক স্থিতি নিশ্চিত করে না। অনিন্দ্য ইসলাম ও রুহুল কবির রিজভীসহ রাজনৈতিক নেতাদের সতর্কভাবে কথা বলা এবং জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনমত উপেক্ষা না করার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।