মাওলানা মামুনুল হক ২৪ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রবন্ধে জুলাই সনদ ও গণভোটকে ঘিরে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক বিতর্ক বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান দাবি হলো গণভোটের রায় কার্যকর করা। তাদের অভিযোগ, বর্তমান সরকার এ রায় বাস্তবায়নে আগ্রহী নয় এবং তা বাধাগ্রস্ত বা বানচালের চেষ্টা করছে। প্রবন্ধের প্রথম অংশে তিনি জুলাই সনদ প্রণয়ন থেকে গণভোট আয়োজন পর্যন্ত প্রক্রিয়া এবং সনদকে কেন্দ্র করে নিজের অবস্থান তুলে ধরার কথা জানান।
লেখকের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবের বদলে গণঅভ্যুত্থান বলা বেশি যুক্তিযুক্ত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকারের পতনের পর গঠিত সরকার বিপ্লবী সরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেনি; বরং পূর্ববর্তী রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ধারাবাহিকতায় সরকার গঠিত হয়েছে। জুলাইয়ের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় নাগরিক পার্টি প্রথম জুলাই সনদ প্রণয়নের দাবি তোলে, পরে অন্তর্বর্তী সরকার এ উদ্যোগ নেয়।
জুলাই সনদ প্রণয়ন, সাংবিধানিক সংস্কার ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। কমিশন ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তিন দফায় ৭২ দিন সংলাপ চালায়। মতৈক্য না হওয়া বিষয়গুলো নোট অব ডিসেন্ট হিসেবে রাখা হয়। লেখক বলেন, সনদে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ ও বৈষম্য বিলোপের লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়েছে।
জুলাই সনদ, গণভোট ও ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে মামুনুল হকের বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।