গাজায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাজার হাজার নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছে, অসংখ্য পরিবার ভেঙে গেছে এবং বহু নারী তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। তবুও এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও গাজার নারীরা নীরব থাকেননি। কেউ চিকিৎসক, কেউ শিক্ষক, কেউ মানবিক সহায়তা কর্মী, আবার কেউ সাংবাদিক হিসেবে যুদ্ধের বাস্তবতা তুলে ধরেছেন। নারী সাংবাদিকরা ক্যামেরা, নোটবুক ও মোবাইল ফোন দিয়ে যুদ্ধের সত্য ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে এনেছেন।
তাদের মধ্যে সাংবাদিক মারিয়াম আবু দাক্কা দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে হামলায় নিহত হন। ফটোসাংবাদিক ফাতিমা হাসসুনা বোমা হামলায় পরিবারের ছয়জন সদস্যসহ প্রাণ হারান, মৃত্যুর আগে তার ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের ঘোষণা হয়েছিল। কঠিন বাস্তবতায় থেকেও এই নারীরা সংবাদ পাঠানো বন্ধ করেননি, ছবি তোলা থামাননি।
তাদের সাহস ও নিষ্ঠা গাজার তরুণ সাংবাদিকদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তারা দেখিয়েছেন, সাংবাদিকতা শুধু খবর নয়—এটি স্মৃতি সংরক্ষণ, ইতিহাস নথিবদ্ধ করা এবং ধ্বংসের মধ্যেও মানবতার সাক্ষ্য রেখে যাওয়ার এক নৈতিক দায়িত্ব।
যুদ্ধের মাঝেও সত্য ও মানবতার সাক্ষ্য দিচ্ছেন গাজার নারী সাংবাদিকরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।