অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই–মার্চ) বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি ও অর্থছাড় কমেছে, তবে ঋণ পরিশোধের চাপ বেড়েছে। সরকারকে এ সময়ে মূলধন ও সুদ মিলিয়ে ৩৫২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমে ২৮০ কোটি ৪১ লাখ ডলারে এবং অর্থছাড় কমে ৩৮৯ কোটি ১৮ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ইআরডি কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনকালীন সময়, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকল্প পুনর্মূল্যায়নের কারণে বিদেশি অর্থছাড়ের গতি কমেছে। দরপত্র যাচাই, চুক্তি অনুমোদন ও নকশা সংশোধনের মতো কারণে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। তারা আশা করছেন, বাজেট সহায়তা হিসেবে প্রায় ৩২০ কোটি ডলার সংগ্রহের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া, বিশ্বব্যাংক ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ছিল প্রধান ঋণদাতা। বিদেশি ও দেশি ঋণ পরিশোধের চাপ একসঙ্গে বাড়ায় সরকারের আর্থিক চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিদেশি ঋণ ছাড় কমলেও বাংলাদেশে ঋণ পরিশোধের চাপ বেড়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।