চারটি দূতাবাসে ই-মেইলে হামলার হুমকি ও চাঁদা দাবির পর ঢাকার গুলশান ও বারিধারার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দূতাবাসগুলোকে বিশেষ নজরদারিতে আনা হয়েছে এবং পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিবি বলেছে, ঢাকার বিভিন্ন দূতাবাস ও কয়েকটি সরকারি দপ্তরে পাঠানো চাঁদা দাবির ই-মেইল একটি ভুয়া গ্রুপের কাজ বলে তাদের ধারণা। সরকারকে বিব্রত করা বা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করাই এর উদ্দেশ্য হতে পারে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সিটিটিসি কর্মকর্তারা দূতাবাস প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। কোনো দূতাবাস গুলশান থানায় জিডি বা লিখিত অভিযোগ করেনি।
অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। ই-মেইলে দেওয়া বিকাশ নম্বরের সূত্রে তিন-চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তারা কিছু জানেন না বলে জানিয়েছে। পুলিশ চেকপোস্ট, টহল ও দূতাবাসের সামনে নজরদারি বাড়িয়েছে; কুইক রেসপন্স টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ই-মেইলে হুমকি ও চাঁদা দাবির পর ঢাকার দূতাবাস এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।