মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার ঐতিহাসিক কামাল মৌলা মসজিদকে হিন্দু দেবীর মন্দির হিসেবে ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। শুক্রবার দেওয়া এই রায়ের ফলে মুসলমানদের সেখানে নামাজ আদায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং হিন্দুদের পূজার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্থা এএসআইয়ের তত্ত্বাবধানে থাকা ভোজশালা কমপ্লেক্সে অবস্থিত এই মসজিদটি আগে হিন্দু ও মুসলমান উভয়ের উপাসনার জন্য নির্দিষ্ট দিনে উন্মুক্ত ছিল। আদালতের সিদ্ধান্তের পর বিজেপি সমর্থকরা সেখানে দেবীর অস্থায়ী মূর্তি স্থাপন করেন।
মুসলিম সম্প্রদায়ের আইনজীবী ও নেতারা রায়টিকে ১৯৯১ সালের উপাসনালয় আইনের পরিপন্থী বলে দাবি করেছেন এবং সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। ইতিহাসবিদ অড্রে ট্রুশকে বলেছেন, এএসআইয়ের সমীক্ষা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এটি ভারতে গভীরভাবে প্রোথিত ইসলামোফোবিয়ার প্রতিফলন।
এই রায় বাবরি মসজিদ মামলার স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে এবং সমালোচকদের মতে এটি হিন্দুত্ববাদী শক্তির বৃহত্তর প্রচারণার অংশ, যা ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
কামাল মৌলা মসজিদকে মন্দির ঘোষণা, ভারতে ধর্মীয় ও আইনি উত্তেজনা বৃদ্ধি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।