দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবাসিক হলের ঘাটতিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী সংকটে রয়েছেন। ইউজিসির সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬২টি ছাত্র ও ১০০টি ছাত্রী হলে মাত্র ৩৯.৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা আছে। ফলে প্রায় ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মেস, ভাড়া বাসা কিংবা আত্মীয়দের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে। এতে বাড়তি ব্যয়, দীর্ঘ যাতায়াত এবং পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসিক সুবিধা রয়েছে। বিপরীতে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো আবাসিক সুবিধা নেই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সুবিধা পান ২১.৮৭ শতাংশ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬.১৪ শতাংশ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য কেবল একটি হল রয়েছে; সেখানে ছাত্রদের কোনো হল নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩.৯৭ শতাংশ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৬.৭১ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পান।
সংশ্লিষ্টরা নতুন হল নির্মাণ, পুরোনো হলে আসন বৃদ্ধি এবং মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম নতুন হল নির্মাণ ও পুরোনো হলে সিট বাড়ানোর প্রকল্পের কথা বলেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের উদ্যোগ এবং ১০তলা হল নির্মাণে ৬৯০ কোটি টাকার বাজেট প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি ছাত্র হলের কাজ ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা, যেখানে ১,৬০০ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা হবে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন ৩৯.৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।