চলমান গ্যাস সংকট বিবেচনায় ৩০ জুলাই সিএনজি ফিলিং স্টেশন প্রতীকীভাবে বন্ধ রাখার কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স এসোসিয়েশন। তবে তাদের ন্যায্য দাবি ও সমস্যার যৌক্তিক, ইতিবাচক সমাধান না হলে ২৩ আগস্ট থেকে দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। ২৭ জুলাই রাজধানীর বিজয়নগরের আকরাম টাওয়ারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফারহান নূর বলেন, তারা জনদুর্ভোগ বাড়াতে চান না। মহেশখালীর সমস্যার কারণে দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহ ইতোমধ্যে বিঘ্নিত হওয়ায় কর্মসূচি নতুন সংকট তৈরি করুক, তা তারা চান না। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একাংশে আগুনের পর গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে সরকারকে সহযোগিতা করতেই প্রতীকী কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েশন জানায়, লোকসানের কারণে সিএনজি ব্যবসায়ীরা কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন। ২৫ জুলাই পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে গ্যাস সরবরাহ ও দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা হলেও নির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব পাওয়া যায়নি। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ ও ২০১৭ সালের বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ এবং বিভিন্ন দপ্তরে বারবার যোগাযোগের পরও সমস্যার সমাধান হয়নি।
গ্যাস সংকটের কারণে ৩০ জুলাইয়ের প্রতীকী ধর্মঘট প্রত্যাহার, দাবি না মানলে ২৩ আগস্টে অনির্দিষ্ট বন্ধ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।