শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবার আলম খাঁর কান্দী এলাকায় পদ্মা নদীর নতুন ভাঙনে প্রায় ২০০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। গত কয়েক দিনে পাঁচটি বসতবাড়ি, দুটি দোকান, ফসলি জমি ও ইটের সড়কের একটি অংশ ভেঙে গেছে। ভাঙন ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের প্রায় ৪০০ পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
নদীপাড়ের মানুষ ঘরের চাল, দরজা-জানালা খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়েও অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে অন্তত ৩৫টি বসতঘর, গবাদিপশু ও দুটি দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর, কলাবাগান, বালুরটেক এলাকার স্থাপনা ও স্থানীয় বাজারও ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়রা দ্রুত জিও ব্যাগসহ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন দাবি করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলেছে, তারা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পেলে জরুরি ব্যবস্থা নেবে। জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম জানিয়েছেন, নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হওয়া পরিবারগুলোর সহায়তায় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জাজিরায় পদ্মার ভাঙনে ঘরবাড়ি ও জমি বিলীন, ঝুঁকিতে প্রায় ৪০০ পরিবার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।