যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাড়াহুড়ো করে কোনো বাণিজ্য চুক্তি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। গত মাসে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জ্যামিসন গ্রিয়ারের নয়াদিল্লি সফরের সময় অন্তর্বর্তী চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। ওয়াশিংটন ভারতের মূল দাবিগুলোর নিশ্চয়তা দিতে না পারায় ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ভারতের দাবি ছিল চীনের মতো প্রতিযোগী দেশের তুলনায় শুল্ক সুবিধা পাওয়া এবং চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্র যেন নতুন শুল্ক আরোপ না করে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল জানিয়েছেন, সুনির্দিষ্ট সুবিধা না পেলে কোনো চুক্তি কার্যকর হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানি বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক ঝুঁকি হ্রাস এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে নয়াদিল্লি এখন আরও আত্মবিশ্বাসী। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতের রপ্তানি প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে এবং যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকস ২০২৬ সালে ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৬.৮ শতাংশ করেছে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শুল্ক আইনি ও রাজনৈতিক বাধার মুখে পড়তে পারে। স্থানীয় নির্বাচনে মোদির দলের সাফল্য এবং ওয়াশিংটনের অনিশ্চয়তা নয়াদিল্লিকে চুক্তি বিলম্বিত করতে উৎসাহিত করেছে।
শক্তিশালী অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বিলম্বিত করছে ভারত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।