সীতাকুণ্ড কামিল এম এ মাদ্রাসার ৪৯ জন পরীক্ষার্থীকে নিকটবর্তী প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে চট্টগ্রাম শহরের নাসারিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। ২০২৬ সালের ১ মে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি, অতিরিক্ত খরচ ও মানসিক চাপের কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রতিদিন দুটি বাসে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে যাতায়াতের ফলে পরিবহন, খাবার ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে অতিরিক্ত ব্যয় প্রায় দেড় লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে।
প্রিন্সিপাল ওসমান গনি জানান, বিদ্যমান নীতিমালার কারণে কেন্দ্র পরিবর্তন সম্ভব নয়, যদিও নিকটবর্তী কলেজগুলোতে পরীক্ষা নিলে এই সমস্যা হতো না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য প্রতিদিন দুইজন শিক্ষক তাদের সঙ্গে যান। তিনি আরও বলেন, একই নীতিমালায় মিরসরাইয়ের একটি মাদ্রাসা স্থানীয় কলেজে কেন্দ্র স্থানান্তর করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান, আগে অবহিত করা হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া যেত। অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে নিকটবর্তী কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন।
সীতাকুণ্ডের শিক্ষার্থীদের দূরবর্তী চট্টগ্রাম কেন্দ্রে প্রতিদিন যাতায়াতে ভোগান্তি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।