দেশে সার উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে আগামী নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ থাকা তিনটি রাষ্ট্রীয় সার কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন বা বিসিআইসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি এবং চট্টগ্রামের টিএসপি কমপ্লেক্স ও ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানিতে উৎপাদন পুনরায় শুরুর লক্ষ্য নিয়েছে। গ্যাসের অপর্যাপ্ত সরবরাহ, কাঁচামাল সংকট ও মেরামতের প্রয়োজনের কারণে কারখানাগুলো বন্ধ রয়েছে।
বিসিআইসির অধীন সাতটি সার কারখানার মধ্যে বর্তমানে চারটি চালু আছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় কারখানাগুলোতে ১১ লাখ ৭৩২ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ৬৮ হাজার ২৫৯ মেট্রিক টন টিএসপি এবং ৮২ হাজার ১৪২ মেট্রিক টন ডিএপি উৎপাদিত হয়েছে। ওই সময়ে দেশের ইউরিয়া চাহিদার প্রায় ৪২ দশমিক ৩৪ শতাংশ দেশীয় রাষ্ট্রীয় উৎপাদন থেকে পূরণ হয়েছে; টিএসপি ও ডিএপির ক্ষেত্রে এ হার যথাক্রমে প্রায় ৯ দশমিক ১০ ও ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
বিসিআইসি তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বার্ষিক সার উৎপাদন ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করতে চায়। এ জন্য পুরোনো প্রযুক্তি আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বাড়ানো এবং নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা বলেন, আশুগঞ্জে নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ধারিত চাপে গ্যাস এবং চট্টগ্রামের কারখানাগুলোতে ফসফরিক অ্যাসিডসহ প্রয়োজনীয় কাঁচামাল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় চলছে।
আমদানি কমাতে নভেম্বরে তিন সার কারখানা চালুর লক্ষ্য
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।