শেরপুরে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত যেকোনো প্রাণহানি অগ্রহণযোগ্য ও গভীরভাবে দুঃখজনক। বুধবার শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনি ইশতেহার অনুষ্ঠানে চেয়ার নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নিহত হন এবং উভয় পক্ষের প্রায় ৫০ জন আহত হন।
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় সরকার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও ধৈর্য প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয় দেখানো ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে এবং জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সব দলকে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের গভীর উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।