আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ করা হচ্ছে। সিদ্ধান্তটি ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। তিনি জানান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল চলতি বছরের ১৯ আগস্ট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ এজিও–ইউএনডিপি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানটি ছিল ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ব্যাচের সমাপনী এবং তৃতীয় ব্যাচের ইন্টার্নদের বরণ উপলক্ষে। আইনমন্ত্রী আইনজীবীদের নৈতিকতার বিষয়ে কড়া নজর রাখতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রতি আহ্বান জানান। বিচারকদের মতো আইনজীবীদেরও জবাবদিহির আওতায় আনার ওপর তিনি জোর দেন। তিনি আরও বলেন, সরকার সাইবার সুরক্ষা আইনের কয়েকটি ধারায় সংশোধন আনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
নবীন আইনজীবীদের মানবিক ও অর্থের প্রতি নির্লোভ হওয়ার পরামর্শ দেন মন্ত্রী। তিনি মক্কেলদের কাছে বিচারককে প্রভাবিত করার দাবি করা এবং প্রতিশ্রুত ফল না দিয়ে পারিশ্রমিক নেওয়ার মতো আচরণের সমালোচনা করেন। অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস, ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স এবং সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস বক্তব্য দেন।
২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩৫ বছরের বেশি বয়সে নতুন আইনজীবী হওয়া যাবে না
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।