চীনের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদল উরুমচি, শিনচিয়াংয়ে শান্তি আলোচনায় অংশ নিচ্ছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং জানান, ইসলামাবাদ ও কাবুল উভয়ই বেইজিংয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আলোচনায় পুনরায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মার্চ মাসে চীন দুই দেশেই বিশেষ প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আনদরাবি বলেন, ইসলামাবাদ একটি “স্থায়ী সমাধান” প্রত্যাশা করছে এবং আলোচনায় তাদের মৌলিক উদ্বেগ তুলে ধরবে। তিনি উল্লেখ করেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা আফগানিস্তানের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে। অপরদিকে আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল কাহহার বলখি জানান, কাবুল চীনের অনুরোধে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে এবং ভারসাম্যপূর্ণ ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখছে।
গত বছরের অক্টোবরে সীমান্ত সংঘর্ষের পর কাতার, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় শান্তি স্থাপিত হয়েছিল। এবার চীনের নেতৃত্বে আলোচনায় উভয় দেশ বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের আশা করছে।
চীনে পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি বৈঠক, সীমান্ত সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।