বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিজ্ঞাপনে এআই দিয়ে তৈরি মানুষের ছবি ও ভিডিওর বাড়তি ব্যবহার তরুণদের মধ্যে অবাস্তব সৌন্দর্যের মানদণ্ড, শরীর নিয়ে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়াতে পারে। মানসিক ব্যাধি থেকে সুস্থ হওয়া শিক্ষার্থী মিয়া পেরুমাল বলেন, তিনি অনলাইনে অত্যন্ত রোগা ও সুন্দর এআই-নির্মিত মানুষের ছবি এবং সেগুলোর মতো শরীর পাওয়ার উপায় জানতে চাওয়া ১২ বছর বয়সী মেয়েদের মন্তব্য দেখেছেন।
ইউডব্লিউই ব্রিস্টলের সেন্টার ফর অ্যাপিয়ারেন্স রিসার্চের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফিলিপ্পা ডিডরিখস বলেন, অন্যের সঙ্গে তুলনা স্বাভাবিক হলেও তা সংকীর্ণ সৌন্দর্যমানকে কেন্দ্র করে হলে আত্মবিশ্বাস কমতে পারে। বাস্তবে অস্তিত্বহীন ডিজিটাল ছবির সঙ্গে নিজের চেহারা তুলনা করলে নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। যথাযথ নির্দেশনা না থাকলে এআই তার প্রশিক্ষণ ডেটার প্রচলিত সৌন্দর্যধারণাই অনুসরণ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাভাবিক মসৃণ ত্বক, চোখ বা চুলের অস্বাভাবিক গঠন এবং লোমকূপ বা দাগের অনুপস্থিতি এআই ছবির ইঙ্গিত হতে পারে, যদিও শনাক্তকরণ কঠিন হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্যাশন মডেল এআই-নির্মিত জানার পর অনেক ভোক্তার প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক হয়। এইচঅ্যান্ডএম ২০২৫ সালে বাস্তব মডেলদের ডিজিটাল টুইন তৈরির পরীক্ষা স্থগিত করেছিল।
এআই-নির্মিত সৌন্দর্যের ছবি তরুণদের শরীর নিয়ে চাপ বাড়াতে পারে বলে সতর্কতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।