মাদারীপুরের শিবচরে শাম্পা খাতুন (২০) হত্যার ঘটনায় মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৯ আগস্ট বাখরেরকান্দি এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ে-সংলগ্ন পরিত্যক্ত স্থানের ঝোপ থেকে শাম্পার লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক শাম্পার এক বছর বয়সী ছেলে আবিরকে একটি সেতু থেকে আড়িয়াল খাঁ নদে ফেলে দেওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। ২১ আগস্ট গ্রেপ্তারের তথ্য জানানো হয়।
শাম্পা নাটোরের লালপুর উপজেলার আট্রিকা গ্রামের ছামরুল ইসলামের মেয়ে। লাশের পরিচয় শনাক্তের পর তাঁর বাবা শিবচর থানায় হত্যা মামলা করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত করে শিবচর থানা পুলিশ ও মাদারীপুর র্যাব যৌথ অভিযানে বাখরেরকান্দি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে ফারুককে আটক করে।
পুলিশ বলেছে, ফারুকের বাসা থেকে শাম্পার ব্যবহৃত পোড়ানো ওড়না, নাকফুল, গলার চেইন ও একজোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। শাম্পাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তবে হত্যার কারণ তদন্তাধীন। আবিরের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চলছে; নদীতে ফেলে দেওয়ার দাবি এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা যাচাই করছে পুলিশ।
শাম্পা হত্যায় সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার, এক বছর বয়সী আবিরকে খুঁজছে পুলিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।