২০২৬ সালের ২১ মে চীন ও পাকিস্তান তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে। ১৯৫০ সালে পাকিস্তান প্রথম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে চীনের কমিউনিস্ট সরকারকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান কারাকোরাম পর্বতমালার শাকসগাম উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ চীনের হাতে হস্তান্তর করে, যা ১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের পর কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হয়। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সিনেটে সফররত চীনা সংসদীয় প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে দুই দেশের বন্ধুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। সিনেটে সর্বসম্মতিক্রমে ‘চীন-পাকিস্তান বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের পুনর্ব্যক্তকরণ’ প্রস্তাব গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিং যাচ্ছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্পর্ক আদর্শিক নয়, বরং কৌশলগত প্রয়োজনে গড়ে উঠেছে। পারমাণবিক কর্মসূচি, সামরিক সহযোগিতা ও ২০১৫ সালের ৬২ বিলিয়ন ডলারের সিপিইসি প্রকল্প এই সম্পর্কের মূল স্তম্ভ। তবে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট, চীনের কাছে ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঋণ এবং নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কটিকে জটিল করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সামরিকভাবে সম্পর্কটি দৃঢ় হলেও অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও চীন-পাকিস্তানের ৭৫ বছরের কৌশলগত সম্পর্কের উদযাপন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।