ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে কাতার, কুয়েত ও লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের পর কাতার ও কুয়েতে কঠোর বিধিনিষেধ ও অর্থনৈতিক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, ফলে শত শত শ্রমিক কাজ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়া ও পাসপোর্ট জটিলতায় দেশে ফেরা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কাতারে কর্তৃপক্ষ ছবি তোলা ও বাইরে বের হওয়া সীমিত করেছে, আর ড্রোন হামলা ও সমুদ্রবন্দরে অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
কুয়েতে যুদ্ধ আতঙ্কে জনজীবন থমকে গেছে, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো স্থবির, এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। লেবাননে ইসরাইলি হামলায় ১,৩০০ জনের বেশি নিহত ও ১২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সেখানে ৫০০–৬০০ বাংলাদেশি অস্থায়ী আশ্রয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশই অবৈধ হওয়ায় রেমিট্যান্স এখন হুন্ডি বা বিকাশের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কাতারে প্রায় সাড়ে চার লাখ, কুয়েতে সাড়ে তিন লাখ এবং লেবাননে এক লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন। চলমান সংঘাত তাদের নিরাপত্তা, আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে।
ইরান যুদ্ধ ও অস্থিরতায় কাতার, কুয়েত ও লেবাননে বাংলাদেশি শ্রমিকদের দুর্ভোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।