যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত থামানোর পথ ক্রমেই সংকীর্ণ হয়ে আসছে। ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের দাবি, ধারাবাহিক হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে পড়েছে, কিন্তু বাস্তবে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান সম্প্রতি ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের ঘাঁটির দিকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা তাদের দূরপাল্লার সক্ষমতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে ইরান ইসরাইলের ডিমোনা এলাকায় হামলা চালায়, আর ইসরাইল পাল্টা আঘাত হানে ইরানের বুশেহর অঞ্চলে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হলেও তিনি এখনও প্রকাশ্যে আসেননি, ফলে নেতৃত্বে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দেন এবং তা না মানলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি দেন। তবে সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি হামলার পরিকল্পনা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন।
দুই পক্ষের কাছেই এখন বিকল্প সীমিত। ইরান সহজে পিছিয়ে আসতে পারছে না, আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আকাশপথের হামলায় নির্ণায়ক ফলাফল আসছে না, ফলে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে উত্তেজনা বাড়ছে, সমাধানের পথ ক্রমেই সংকীর্ণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।