বড় নির্বাচনী জয়ের দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করেছেন। গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে ইসরাইলকে দেওয়া সমর্থন তার এই বিদায়ের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় নির্বাচন ও জরিপে দেখা গেছে, গাজা ইস্যুতে অনেক সাবেক লেবার ভোটার দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং বিকল্প মধ্যপন্থি বা বামপন্থি দলকে সমর্থন দিয়েছেন।
সাবেক লেবার নেতা জেরেমি করবিন ও গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি স্টারমারের নীতির কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার সরকারের সময় ইসরাইলের সঙ্গে সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা বজায় ছিল, যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ উপেক্ষার অভিযোগ ওঠে এবং ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের সংগঠন নিষিদ্ধ করা হয়। একই সঙ্গে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের কূটনৈতিক সুবিধা দেওয়া হয়, যা বিতর্ক সৃষ্টি করে।
২০২৫ সালে শর্তসাপেক্ষে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের ওপর সীমিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেও স্টারমার সমালোচনার মুখে পড়েন। তার পররাষ্ট্রনীতির দ্বন্দ্ব ও অভ্যন্তরীণ দমননীতি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ও পদত্যাগে রূপ নেয়।
গাজা নীতি ও ইসরাইল সমর্থন বিতর্কে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের পদত্যাগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।