ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক সংকট তৈরি করেছে। নভেম্বরের কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই যুদ্ধ তার অবস্থান দুর্বল করে দিচ্ছে। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি ও বিদেশি যুদ্ধে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও ট্রাম্প একের পর এক সামরিক অভিযান চালিয়েছেন, সর্বশেষ লক্ষ্য ইরান। অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন এবং ইরানকে সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন না। ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।
২০২৫ সালের গ্যালাপ জরিপে ট্রাম্পের জনসমর্থন ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এনবিসির জরিপে দেখা গেছে, ৫৪ শতাংশ ভোটার ইরানের বিরুদ্ধে তার পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছেন। যুদ্ধের ব্যয়, তেলের দাম বৃদ্ধি, চাকরি হারানো এবং মুদ্রাস্ফীতি ভোটারদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাম্পের নীতিমালা বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং ডেমোক্র্যাটরা অভিশংসনের উদ্যোগ নিতে পারে। ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব মার্কিন ভোটারদের মনোভাব পরিবর্তন করছে এবং এটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমিয়ে রিপাবলিকানদের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।