গত বছরের শেষে ইসরায়েলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি শিশুদের অর্ধেকেরও বেশি অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই বন্দি ছিল বলে জানিয়েছে ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল–প্যালেস্টাইন (ডিসিআইপি)। বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫১ জন আটক ফিলিস্তিনি শিশুর মধ্যে ৫১ শতাংশকে “প্রশাসনিক আটক” নামে পরিচিত ব্যবস্থায় রাখা হয়েছিল, যা ২০০৮ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যা ও অনুপাত। এই পরিসংখ্যান ইসরায়েল প্রিজন সার্ভিসের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তবে সামরিক আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রে থাকা শিশুদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
ডিসিআইপি জানিয়েছে, পূর্বে আটক শিশুদের সাক্ষ্য থেকে তারা নির্যাতন ও অমানবিক পরিস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনিদের, বিশেষ করে শিশুদের, গ্রেপ্তার ও আটক বেড়েছে। প্রশাসনিক আটক নীতিতে ইসরায়েল অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই ছয় মাসের জন্য বন্দি রাখতে পারে, যা অনির্দিষ্টকাল নবায়নযোগ্য। অন্য সংস্থা আদ্দামির জানিয়েছে, ৯,৫০০ ফিলিস্তিনি বন্দির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এই নীতির আওতায় রয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো, যেমন ইসরায়েলি সংস্থা বেতসেলেম, ইসরায়েলি কারাগারগুলোতে নির্যাতন ও পদ্ধতিগত নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছে। ডিসিআইপি বলেছে, শিশুদের ওপর এমন আচরণ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের লঙ্ঘন।
ইসরায়েলে আটক ফিলিস্তিনি শিশুদের অর্ধেকেরও বেশি অভিযোগ ছাড়াই বন্দি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।