২০২৬ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের ওপরে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ায় ব্রেন্ট ফিউচার্স দাঁড়ায় ১১০ ডলার ১২ সেন্টে এবং মার্কিন মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ছিল ৯৪ ডলার ৮৫ সেন্টে। বাজার এখন দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ-বিঘ্নের ঝুঁকি মূল্যায়ন করছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জ্বালানি প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ জ্বালানি বাজারে বড় অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি সরবরাহ হয় হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে, যা বর্তমানে তীব্র চাপের মুখে পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা প্রতিদিনের কূটনৈতিক খবরের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ঝুঁকিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি জানিয়েছে, বর্তমান সরবরাহ ধাক্কা ১৯৭০-এর দশকের সংকট ও রুশ-ইউক্রেনীয় গ্যাস বিভ্রাটের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়েও গুরুতর। রয়টার্সের তথ্যমতে, বৈশ্বিক সরবরাহ থেকে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল কমে গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরবরাহ ব্যাহত, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের ওপরে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।