একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত কথিত মক্কা প্রতিরক্ষা কাঠামোয় বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে এর সদস্য নয়। তবে ২৫ আগস্ট পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান এবং ২৭ আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান সংসদে বলেন, আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এলে বাংলাদেশ তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। নিবন্ধে মক্কা ও শুক্রবারকে চুক্তির ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতীকের অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে।
নিবন্ধটির মতে, সদস্যপদ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, যৌথ উৎপাদন, সামুদ্রিক সহযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সুবিধা দিতে পারে। সৌদি বিনিয়োগ ও শ্রমবাজার, তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতাকেও সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সুযোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
তবে নিবন্ধে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য অংশীদারদের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এতে সতর্ক করা হয়েছে, সদস্যদের দ্বিপক্ষীয় সংঘাতে বাংলাদেশ যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে জড়িয়ে না পড়ে এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বজায় থাকে। সিদ্ধান্তের আগে ইরানের অবস্থান ও সদস্যদের সামরিক বাধ্যবাধকতা স্পষ্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও আঞ্চলিক ঝুঁকি বিবেচনায় মক্কা কাঠামো নিয়ে ভাবছে বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।