ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করার নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ বৃহস্পতিবার এ নীতিমালা জারি করে। এর লক্ষ্য খেলাপি ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার করা এবং এ ধরনের আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কমানো। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর ব্যবস্থায় ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতা মামলা করার আগে কিংবা চলমান মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে পারবেন।
আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট আইনের অধীনে নিবন্ধিত হতে হবে এবং হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স ও টিআইএন থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে তিন বছরের ব্যবসায়িক বা পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী প্রয়োজন। দেউলিয়া, ঋণখেলাপি, প্রতারণা, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, মানি লন্ডারিং বা গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির যোগ্য হবে না।
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অন্তত পাঁচ সদস্যের মধ্যস্থতাকারী প্যানেল থাকতে হবে, যেখানে একজন হিসাববিদ ও একজন আইন বিশেষজ্ঞ থাকবেন। মধ্যস্থতাকারীদের অন্তত ১০ বছরের প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা লাগবে এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিকে প্যানেলে রাখা যাবে না। তালিকাভুক্তির মেয়াদ তিন বছর; বার্ষিক প্রতিবেদন, পরিদর্শন এবং অভিযোগ তদন্তের ভিত্তিতে সতর্কীকরণ, জরিমানা, স্থগিত বা বাতিলের ব্যবস্থা নিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
খেলাপি ঋণ বিরোধে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির নীতিমালা জারি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।